মো: জিসান রহমান
,
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষা, গবেষণা ও বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক বিনিময় প্রসারে এক বিশেষ দ্বিপাক্ষিক সফরের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওফেং এবং থার্ড সেক্রেটারি শিয়া ডাওজিং।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে চীনা প্রতিনিধি দলটি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান্যবর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, রেজিস্ট্রার ও প্রক্টরসহ জ্যেষ্ঠ শিক্ষকবৃন্দ তাঁদের ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
অভ্যর্থনা শেষে প্রতিনিধি দল মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার শরিফ, মাওলানা ভাসানী রিসার্চ সেন্টার এবং ভাসানী জাদুঘর ঘুরে দেখেন। পরবর্তীতে একাডেমিক সহযোগিতা ও কারিগরি শিক্ষা বিনিময়ের সম্ভাব্য ক্ষেত্র পর্যালোচনা করতে ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশনাল সায়েন্স এবং মেকানিক্যাল অ্যান্ড অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ, গবেষণা ল্যাব, সেমিনার লাইব্রেরি, গ্যালারি ও অতিথি ভবন পরিদর্শন করেন তারা।
পরিদর্শন শেষে কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওফেং তাঁর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করে বলেন, “মাভাবিপ্রবিতে প্রথমবারের মতো আসতে পেরে আমি সত্যি রোমাঞ্চিত। ঐতিহাসিক ও সামাজিকভাবে মাওলানা ভাসানীর সঙ্গে চীনা জনগণের সুদৃঢ় আত্মিক সম্পর্ক দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ভিত্তিকে স্মরণ করিয়ে দেয়।”
তিনি আরও যুক্ত করেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস— পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চীনা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মাভাবিপ্রবির সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। শিগগিরই ক্যাম্পাসে চীনা ভাষা কোর্স চালু, যৌথ গবেষণা পরিচালনা এবং ভাসানী রিসার্চ সেন্টারকে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে সমাদৃত করতে আমরা একযোগে কাজ করতে পারি। এ বিষয়ে আমার নিজস্ব পরিকল্পনাগুলো মান্যবর রাষ্ট্রদূতের কাছে উপস্থাপন করব, যেন যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও সমৃদ্ধ হয়।”











