খবর বাংলা ডেস্ক :
রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনা, চেম্বার আদালতের স্থগিতাদেশ এবং মন্ত্রণালয়ের অবস্থান—সব মিলিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে ধোঁয়াশা কাটছে না। বিশেষ করে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে আলাদা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৮ মার্চ থেকে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ হাইকোর্ট ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পরে চেম্বার আদালত সেই আদেশ স্থগিত করেন। ফলে আপাতত স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে।
জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ জানিয়েছেন, আপিলের শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের সূচি অনুযায়ী কার্যক্রম চলবে। আপিলে আদালত যে নির্দেশনা দেবেন, সেটিই চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে। এ অবস্থায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্বাভাবিক ক্লাস কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়–এর বাৎসরিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ৭ মার্চ পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরের স্কুল খোলা থাকার কথা রয়েছে। তবে অনেক অভিভাবক ও শিক্ষক রমজানের শুরু থেকেই ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। প্রাথমিক স্তরে এখনো আদালতের কোনো নির্দেশনা না থাকায় আগের সিদ্ধান্ত বহাল রয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৭ মার্চ পর্যন্ত ক্লাস চলতে পারে এবং ৮ মার্চ থেকে নির্ধারিত ছুটি কার্যকর হবে। তবে মন্ত্রণালয় চাইলে এ বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
অন্যদিকে সরকারি-বেসরকারি কলেজ ও মাদরাসায় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা ও ঈদের ছুটি শুরু হয়ে ২৬ মার্চ পর্যন্ত চলবে। সব মিলিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্ট সবাই।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











