খবরবাংলা ডেস্ক :
দেশের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫০০ জনকে ‘ক্রীড়া কার্ড’ ও বিশেষ ভাতার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রেলপথ, বিমান ও সড়কপথসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়েছে। তবে ভাতার আওতায় থাকা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। মূল্যায়নের ভিত্তিতে ৩১ জনকে ভাতা থেকে বাদ দিয়ে নতুন করে ৯৫ জনকে তালিকায় যুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে সরকারের এই কর্মসূচির আওতায় ধাপে ধাপে ক্রীড়াবিদদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মার্চে কর্মসূচি চালুর সময় প্রথম ধাপে ১২৯ জন খেলোয়াড়কে ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে আরও ১৭১ জন যুক্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা ৩০০-তে পৌঁছায়।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়াবিদদের শুধু আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিভিন্ন নাগরিক ও পরিবহন সুবিধার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রেল, বিমান ও সড়কপথে চলাচলের ক্ষেত্রে তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এশিয়ান গেমস কিংবা ফুটবলে সামগ্রিক ফলাফল নিয়ে প্রাথমিকভাবে হতাশা থাকলেও তা নিয়ে অতিরিক্ত হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। কোথায় ভুল হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ভবিষ্যতে উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে।
এ জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর এশিয়ান গেমস ও ফুটবলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
ক্রীড়াবিদদের ভাতা ব্যবস্থায় নিয়মিত মূল্যায়নের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করে ভাতার তালিকা হালনাগাদ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হিসেবে ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তোলার পরিবেশ তৈরি করার কথা বলা হয়েছে। মার্চে চালু হওয়া কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন খেলার জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও কার্ড দেওয়া হচ্ছে।











