খবর বাংলা ডেস্ক :
প্রায় দুই দশক পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরার মাত্র দুই মাসের মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগোচ্ছেন বিএনপির নেতা তারেক রহমান।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের ফল তার জনগণমতের পূর্বাভাস অনুযায়ী গেলে, বৃহস্পতিবারের নির্বাচন তার জন্য একটি বিস্ময়কর প্রত্যাবর্তন হিসেবে ধরা হবে। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি সপরিবারে লন্ডনে গিয়েছিলেন।
গত বছরের আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান এবং বীরোচিত সংবর্ধনা পান।
তারেক রহমান বলেছেন, তিনি দেশের আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব পুনর্গঠন করতে চান যাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়, কিন্তু কোনো একক শক্তির ওপর দেশ অতিরিক্ত নির্ভরশীল না হয়। তিনি দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তা বাড়ানোর, পোশাক খাতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন শিল্পে জোর দেওয়ার এবং প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুই মেয়াদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের সীমা প্রস্তাবের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ঢাকায় ফেরার পর তারেক রহমান সংযত ও পরিমিত ভাষায় কথা বলছেন, উসকানিমূলক বক্তব্য এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং সংযম ও সমঝোতার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি রাষ্ট্রের ওপর জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের ওপর জোর দিচ্ছেন।
তারেক রহমানের পরিবারে রয়েছে সাইবেরিয়ান জাতের বিড়াল ‘জেবু’, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিএনপির অভ্যন্তরীণ কৌশল, প্রার্থী নির্বাচন এবং জোট আলোচনা সরাসরি তারেক রহমান তদারকি করছেন। তিনি গণতন্ত্র চর্চা ও দেশ পুনর্গঠনের ওপর জোর দিয়ে বলেছেন, “গণতন্ত্র থাকলে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা যায়। তাই আমরা গণতন্ত্র চর্চা করতে চাই এবং দেশকে নতুন করে গড়ে তুলতে চাই।”
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











