খবরবাংলা ডেস্ক :
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে দেখা গেল দুই ভিন্ন ছবি। একদিকে গাভির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখলেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, অন্যদিকে পরাজিত লিওনেল মেসিকে আলিঙ্গন করে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।
স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার হতাশায় ছিলেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা। ম্যাচ শেষে স্পেনের মিডফিল্ডার গাভি পারেদেসের কাছে গিয়ে কিছু মন্তব্য করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর পারেদেস প্রথমে স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন এবং পরে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন।
ঘটনার জেরে দুই দলের খেলোয়াড়রা দ্রুত সেখানে জড়ো হন। পরে কোচ ও সতীর্থদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও ম্যাচ-পরবর্তী এই আচরণের জন্য সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় পারেদেসকে।
অন্যদিকে, ফাইনাল হেরে মাঠে একা বসে ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। সেই সময় স্পেনের উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল এগিয়ে এসে তাকে আলিঙ্গন করেন এবং সান্ত্বনা দেন।
ম্যাচ শেষে মেসি বলেন, “সে আমাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিচ্ছিল এবং বারবার বলছিল আমি যেন না কাঁদি। ও সত্যিই খুব দয়ালু এবং নরম মনের একটি ছেলে।”
ম্যাচ শুরুর আগেও মেসি ও ইয়ামালকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায়। যদিও মাঠে এটিই ছিল তাদের প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সাক্ষাৎ, তবে দুজনের প্রথম দেখা হয়েছিল ২০০৭ সালে। তখন মাত্র পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বার্সেলোনা ফাউন্ডেশনের একটি দাতব্য ফটোশুটে গোসল করিয়ে দিয়েছিলেন ২০ বছর বয়সী তরুণ লিওনেল মেসি। সেই স্মৃতির ধারাবাহিকতায় বিশ্বকাপ ফাইনালেও ফুটে উঠল দুই প্রজন্মের দুই তারকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য।











