খবরবাংলা ডেস্ক :
আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৫৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় চালানো যৌথ অভিযানে প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ জনকে আটক করা হয়।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে যৌথ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এতে মোট ১৪ হাজার ৭৯৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ হাজার ৫০৪ জনের বিরুদ্ধে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়েছে ৩ হাজার ৭৮৩ জনকে। এছাড়া শ্রমবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৫০৯ জনকে আটক করা হয়।
এ সময়ে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে আরও ১ হাজার ২৭৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৪৪ শতাংশ ইয়েমেনের নাগরিক এবং বাকি ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। একই সময়ে অবৈধভাবে সৌদি আরব থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে আরও ২৫ জনকে আটক করা হয়।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বহিষ্কৃত ১২ হাজার ৫৭ জনের পাশাপাশি আরও ১৮ হাজার ৬৭৭ জনকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভ্রমণের ব্যবস্থা সম্পন্ন করতে ৩ হাজার ৪৮৭ জনকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া কিংবা কাজে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে আরও ২১ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে মোট ৩০ হাজার ২৫৭ জন প্রবাসী অভিবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনসংক্রান্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৮ হাজার ৫২৯ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৭২৮ জন নারী।
সৌদি কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশে প্রবেশে সহায়তা করা, পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়া কিংবা এ ধরনের অন্য কোনো সহযোগিতা করলে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে। পাশাপাশি আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন ও আশ্রয় দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত সম্পত্তি জব্দ করার বিধানও রয়েছে।











