খবরবাংলা ডেস্ক :
আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে রাশিয়া থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের আটকে থাকা ইউরেনিয়ামের চালান আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে আসতে শুরু করবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনলাইন প্রতিবেদনে প্রকল্প পরিচালকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জ্বালানি ২০২৩ সালে বাংলাদেশে আসে। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পরপর পুরো জ্বালানি একসঙ্গে পরিবর্তন করা হয় না। প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি ইউরেনিয়াম অ্যাসেম্বলি পরিবর্তন করতে হয়। এ জন্য অতিরিক্ত জ্বালানির চালান আনার প্রয়োজন হয়।
আকাশসীমার অনুমতি নিয়ে জটিলতা পরিকল্পনা অনুযায়ী অতিরিক্ত জ্বালানির প্রথম চালানটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়ামের চালানটি কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ভারত হয়ে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।
তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহারের প্রয়োজনীয় অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চালানটি বহনকারী ফ্লাইট আটকে যায়। পরে প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর নতুন করে চালান পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি সংক্রান্ত জটিলতা কেটে গেছে। ফলে আগামী ১ অক্টোবর থেকে রূপপুরের জ্বালানি দেশে আসবে।
উৎপাদনের প্রস্তুতিতে রূপপুর এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি বাল্ব-সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক। সংশ্লিষ্ট কাজগুলো নির্ধারিতভাবে এগোলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে রূপপুরের দুই ইউনিটে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। কেন্দ্রটির জ্বালানি সরবরাহ ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।











