খবর বাংলা ডেস্ক :
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জাহাজে বিস্ফোরণের ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সমুদ্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হামলা—এ নিয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির কাছে জাহাজটি কোনো আক্রমণের শিকার হয়েছিল কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছাকাছি নোঙর করা অবস্থায় জাহাজটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণটি ইঞ্জিন কক্ষের কাছে হলে সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়। তবে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো যায়।
জাহাজ পরিচালনাকারী কোম্পানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময় জাহাজটিতে মোট ২৪ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে ছয়জন ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক। তবে বিস্ফোরণে কেউ আহত হননি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ঘটনার পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, জাহাজটি লক্ষ্য করে ইরান হামলা চালিয়েছে। তিনি হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বানও জানান। তবে এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত ইরানের দূতাবাস এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং কী কারণে বিস্ফোরণ ঘটেছে তা নিশ্চিত করতে আরও সময় লাগবে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











