নিজস্ব প্রতিবেদক :
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিকিউরিটি ইনচার্জ আলতাব হোসেনের বিরুদ্ধে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১ আগস্ট) রাত প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের মুশুরিয়াঘোনা এলাকায় এক নারীর সঙ্গে আলতাব হোসেনকে দেখে স্থানীয় কয়েকজন তাকে আটক করেন। এ সময় তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আটক হওয়ার পর আলতাব হোসেন নিজেকে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে পরিচয় দেন এবং উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি লাবলু সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তার হস্তক্ষেপে তিনি সেখান থেকে মুক্তি পান।
ঘটনার পর কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থীদের পরিচালিত একটি ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি পোস্ট প্রকাশ করা হয়। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানিয়ে বলা হয়, এমন অভিযোগ হাসপাতালের ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
জানা গেছে, রংপুরের বাসিন্দা আলতাব হোসেন প্রায় আড়াই বছর আগে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে যোগ দেন। স্থানীয়ভাবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করা হলেও, এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে আলতাব হোসেন বলেন, তিনি ওই এলাকায় এক নারীর সঙ্গে ছিলেন এবং স্থানীয়দের হাতে আটক হওয়ার ঘটনাটি সত্য। তবে ওই নারী তার পরিচিত বলে দাবি করেন। তিনি আরও জানান, উপজেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি লাবলু সিদ্দিকীর হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান। লাবলু সিদ্দিকীও হস্তক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) অনিমেষ ভৌমিক বলেন, “ঘটনার বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রতিষ্ঠানের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”










