টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৩ জুলাই) টাঙ্গাইলের দুটি পৃথক আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ভূঞাপুর উপজেলার মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় নাজিরুল ইসলাম ওরফে জিহাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা দেলদুয়ার উপজেলার হাজেরা বেওয়া ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার হত্যা মামলায় আসামি সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত নাজিরুল ইসলাম ওরফে জিহাদ ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে। আর মা-মেয়ে হত্যা মামলার দণ্ডপ্রাপ্ত সোহরাব হোসেন দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, ২০২০ সালের ১৮ জুন ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে মেহেদী মোস্তফা ওরফে রাজীবকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা গোলাম মোস্তফা ভূঞাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত নাজিরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলি শাহজাহান কবির জানান, ২০১১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী দক্ষিণপাড়া গ্রামের হাজেরা বেওয়া (৬০) ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) রাতে নিখোঁজ হন। পরদিন বাড়ির পাশের একটি পাটক্ষেত থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় হাজেরা বেওয়ার ছেলে মোশারফ হোসেন দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। বিচার শেষে আদালত সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর দুই আসামি ছানোয়ার হোসেন ও তার ছেলে মো. রনিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।











