ধনবাড়ী সংবাদ দাতা
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর বানিয়াজন ইউনিয়নের কামারপাড়া এলাকায় চাঁদার টাকা না দেওয়ায় লিটন ফকির নামের এক প্রবাসীকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় বানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জোবায়ের হাসান অন্তর এর বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে (৫ মে) উপজেলার বানিয়াজানের কামারপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভূক্তভোগী আহত প্রবাসী লিটন ফকির অভিযোগ করে জানায়, বানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জোবায়ের হাসান অন্তর হঠাৎ করেই আমার বাড়ীতে গিয়ে পাঁচ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর সাথে সাথেই জোবায়ের হাসান অন্তর তার সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অর্তকিত ভাবে হামলা করে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। আমার বৃদ্ধ মা প্রতিবাদ করতে গেলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে। আমার ডাক চিৎকারে আমার পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পথে ছাত্রদল নেতা জোবায়ের হাসান অন্তর তার দলবল নিয়ে পথরোধ করে মামলা না করার হুমকি দেয়। পরে কেন্দুয়া হয়ে ধনবাড়ী সরকারী হাসপাতালে এসে ভর্তি হই। অন্তর বিএনপি’র প্রভাবেই চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে এলাকায়। আমি আমার পরিবার নিয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি এ ঘটনায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ ছাত্রদল নেদা অন্তরের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও দল থেকে বহিষ্কার দাবী করছি।
আহত বৃদ্ধা মোমিরন বেগম জানান, বিএনপি’র বানিয়াজানের ছাত্রদল নেতা জোবায়ের হাসান অন্তর আমার ছেলে লিটনকে মারপিট করে মাথা ফাটিয়ে গুরুত্বর আহত করে আমি বাঁধা দিলে তারা আমাকেও মারপিট করে। আমি এই চাঁদাবাজ ছাত্রদল নেতা অন্তরের বিচার চাই বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের কাছে। মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
স্থানীয় লিপি বেগম, আখি আক্তারসহ এলাকাবাসী জানান, বানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা জোবায়ের হাসান অন্তর একজন উশৃংখল সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ লোক। তাকে চাঁদা না দেওয়ার কারণে প্রবাসী লিটন ফকির কে বেধড়ক মারপিট করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। অন্তর ও তার সন্ত্রাসী দলবলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। আমরা এলাকায় শান্তি চাই। এঘটনায় সঠিক সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।
এব্যাপারে বিবাদী বানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জোবায়ের হাসান অন্তরের বাড়িতে জানতে গেলে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে বন্ধ পাওয়া যায়।
এব্যাপারে ধনবাড়ী ডিউটি অফিসার এস আই বজলুর রহমান জানান, মারপিটের ঘটনায় আহত লিটন ফকির থানায় এসেছিলেন, তারা এখন ধনবাড়ী সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত লিটন ফকিরের মা মোমিরন বেগম মামলা করার জন্য থানায় এসছেন।











