খবর বাংলা ডেস্ক :
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরুর আগে স্পেন জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে গোলকিপার নির্বাচন। অভিজ্ঞ উনাই সিমন, দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ডেভিড রায়া এবং উদীয়মান তারকা হোয়ান গার্সিয়াকে নিয়ে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এখন সুখকর এক সমস্যায় রয়েছেন।
ইউরো ২০২৪ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা উনাই সিমন এখনও স্পেনের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। তবে তার জায়গার জন্য জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছেন আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।
ক্লাব ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে রায়া নিজেকে ইউরোপের অন্যতম সেরা গোলকিপার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তবুও জাতীয় দলে জায়গা নিয়ে প্রতিযোগিতাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন তিনি।
রায়া বলেন, “আমরা সবাই একে অপরকে আরও উন্নত হতে সাহায্য করি। যে-ই মাঠে নামুক, সে দলের জন্য নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবে।”
এদিকে বার্সেলোনার তরুণ গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াও বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। গত মৌসুমে ক্লাব পর্যায়ে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্স স্প্যানিশ ফুটবলের ভবিষ্যৎ হিসেবে তাকে বিশেষভাবে পরিচিত করেছে।
যদিও বিশ্বকাপের শুরুতে একাদশে তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কম, তবুও দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা আরও তীব্র করে তুলেছেন এই তরুণ গোলরক্ষক।
সব মিলিয়ে স্পেনের কোচিং স্টাফের সামনে এখন তিনজন মানসম্পন্ন গোলকিপারের মধ্য থেকে সেরা বিকল্প বেছে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ। বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এমন পরিস্থিতিকে অবশ্য ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের প্রথম ম্যাচে উনাই সিমনকেই গোলবারের নিচে দেখা যেতে পারে। তবে বেঞ্চে ডেভিড রায়া ও হোয়ান গার্সিয়ার মতো নির্ভরযোগ্য বিকল্প থাকায় আত্মবিশ্বাসী ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











