খবরবাংলা ডেস্ক :
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত স্পেন-আর্জেন্টিনা মহারণকে ঘিরে মোতায়েন করা হয়েছে হাজারো নিরাপত্তাকর্মী, এফবিআই এজেন্ট, স্নাইপার এবং আকাশে টহলে থাকবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দর্শকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বকাপ ফাইনালকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা শ্রেণি ‘লেভেল-১ স্পেশাল ইভেন্ট’ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তা তল্লাশির কারণে দর্শকদের ম্যাচ শুরুর অন্তত চার ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, এই নিরাপত্তা আয়োজন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান বা স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সমপর্যায়ের। তার ভাষায়, “এটি সুপার বোলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চেয়েও বড় অভিযান।”
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেটলাইফ স্টেডিয়াম ও আশপাশের আকাশসীমাকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনী ওই এলাকা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে। ইতোমধ্যে উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করায় একটি ছোট বেসামরিক বিমানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বাধা দিয়েছে।
এছাড়া টুর্নামেন্ট চলাকালে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশ করা শত শত ড্রোন জব্দ করেছে এফবিআই। নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর দাবি, দর্শক, খেলোয়াড় ও ভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ফাইনাল শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে বিজয়ী দলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি তুলে দেবেন।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে প্রায় ৬২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফেডারেল নিরাপত্তা অনুদান অনুমোদন করা হয়েছে। গত প্রায় দুই বছর ধরে ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্থানীয় পুলিশ ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলো যৌথভাবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করেছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্টের উপস্থিতির মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত বিশ্বকাপের সমাপ্তি হবে সবচেয়ে নিরাপদ ও সফল আয়োজনের মাধ্যমে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











