খবর বাংলা ডেস্ক :
মরক্কোর বিপক্ষে ড্র দিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে ব্রাজিল। তবে ১-১ গোলের এই ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হতাশাজনক পারফরম্যান্স।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন ফুটবল বিশ্লেষণে ব্রাজিলের খেলা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেক সমর্থকের মতে, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত গোল না হলে ম্যাচ থেকে কোনো পয়েন্টই পেত না সেলেসাওরা।
নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন যুগের সূচনা করতে নামা ব্রাজিলের কাছে প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। কিন্তু মরক্কোর বিপক্ষে সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায়নি। ম্যাচজুড়ে ছন্দহীন ফুটবল খেলেছে দলটি। সহজ পাসেও ভুল করেছেন খেলোয়াড়রা, আর মাঝমাঠে ছিল সৃষ্টিশীলতার ঘাটতি।
মরক্কো প্রথমে এগিয়ে গেলে চাপে পড়ে ব্রাজিল। এমন পরিস্থিতিতে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ব্রুনো গিমারেসের বাড়ানো বল থেকে বক্সের ভেতর দুর্দান্ত শটে জাল খুঁজে নেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। তার গোলেই শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে সক্ষম হয় ব্রাজিল।
সমর্থকদের একটি বড় অংশ মনে করেন, ম্যাচে ব্রাজিলের একমাত্র ইতিবাচক দিক ছিল ভিনিসিয়ুসের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য। ঐতিহ্যবাহী আক্রমণাত্মক ফুটবল কিংবা সৃজনশীল খেলার ছাপ দেখা যায়নি দলের পারফরম্যান্সে।
তবে হতাশার মাঝেও আশাবাদী রয়েছেন অনেক ব্রাজিল সমর্থক। তারা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে হেরে গেলেও শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছিল। তাই একটি ম্যাচ দিয়েই ব্রাজিলকে বিচার করতে রাজি নন তারা।
ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তিও স্বীকার করেন, তার দল প্রত্যাশামতো খেলতে পারেনি। তিনি বলেন, ব্রাজিলকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ, গতিশীল এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে হবে। একই সঙ্গে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
বিশ্বকাপের দীর্ঘ যাত্রার শুরুতেই পয়েন্ট হারালেও ব্রাজিলের সামনে এখনো নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে পারফরম্যান্সের উন্নতি না হলে সমর্থকদের হতাশা আরও বাড়তে পারে।











