খবরবাংলা ডেস্ক :
২৩তম ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ‘গোল্ডেন বল’। অনেকের প্রত্যাশা ছিল, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির হাতেই উঠবে এই সম্মান। তবে শেষ পর্যন্ত ফিফা গোল্ডেন বল তুলে দিয়েছে স্পেনের অধিনায়ক রদ্রির হাতে।
রদ্রির নাম ঘোষণার পরই মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকদের একাংশ প্রতিবাদ জানিয়ে মেসির নাম ধরে স্লোগান দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুরু হয় তীব্র আলোচনা। অনেক ফুটবল সমর্থকের দাবি, পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় গোল্ডেন বলের প্রকৃত দাবিদার ছিলেন মেসি।
বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তিনি ৮টি গোল করার পাশাপাশি ৪টি গোলে সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেন। এছাড়া পাঁচবার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিজের প্রভাবের প্রমাণ রাখেন।
অন্যদিকে, স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি গোল বা অ্যাসিস্ট করতে না পারলেও দলের মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে ছিলেন অনন্য। টুর্নামেন্টে ৮ ম্যাচে ৭২৬ মিনিট মাঠে থেকে তিনি ৬৯২টি সফল পাস দেন, যার সফলতার হার ছিল ৯৪ শতাংশ। পাশাপাশি ১৩টি সফল ট্যাকল করে স্পেনের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
ফিফার টেকনিক্যাল স্টাডি গ্রুপের মূল্যায়নে, স্পেনের খেলার ছন্দ নিয়ন্ত্রণ এবং দলের সামগ্রিক সাফল্যে রদ্রির অবদানই তাকে গোল্ডেন বল এনে দিয়েছে। তবে সমর্থকদের বড় একটি অংশের মতে, গোল, অ্যাসিস্ট এবং ম্যাচে প্রভাবের দিক থেকে মেসিই ছিলেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে উজ্জ্বল ফুটবলার।
ফলে গোল্ডেন বলের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবল অঙ্গনে বিতর্ক এখনো থামেনি।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











