খবর বাংলা ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশ সবার এবং অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েই একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি মনে করেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের সামনে নিজেদের নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর সেনাকুঞ্জ-এ আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের আত্মত্যাগ শুধু দেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। শহীদ শান্তিরক্ষীদের অবদান শান্তিকামী মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ চার দশক ধরে দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে সশস্ত্র বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব, সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষায় তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ২০০৯ সালে সশস্ত্র বাহিনীর ওপর নেমে আসা সংকটের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, অতীত নিয়ে বিতর্কে না গিয়ে সেখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে আরও শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক প্রতিরক্ষা সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
নারীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভবিষ্যতেও এই অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে শহীদ হওয়া ছয় সদস্যের পরিবারের হাতে সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি আহত সাতজন শান্তিরক্ষীকেও বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।











