খবর বাংলা ডেস্ক :
শরীর সাধারণত হঠাৎ করে বড় কোনো রোগে আক্রান্ত হয় না; বরং আগেই বিভিন্ন ছোট লক্ষণের মাধ্যমে সতর্ক সংকেত দিতে শুরু করে। পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ভেতরে দীর্ঘদিন প্রদাহ তৈরি হলে তা বড় ধরনের জটিল রোগের কারণ হতে পারে। তাই এসব লক্ষণ সময়মতো শনাক্ত করা জরুরি।
ত্বকের পরিবর্তন এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। হঠাৎ ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, ব্রণ বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক শুষ্কতা বা নিস্তেজ ভাব দেখা দিলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এগজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো সমস্যাও শরীরের ভেতরের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে।
একইভাবে নিয়মিত হজমের সমস্যা—যেমন পেট ফাঁপা, অস্বস্তি বা অম্বল—অন্ত্রের অস্বাস্থ্যের লক্ষণ হতে পারে। যা ধীরে ধীরে পুরো শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথাও অবহেলা করা ঠিক নয়। পেশিতে টান বা হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা যদি বিশ্রামের পরও না কমে, তবে তা শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে।
এ ছাড়া মানসিক অস্থিরতা, অকারণে ক্লান্তি বা খিটখিটে মেজাজও প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুমের পরও ক্লান্তি না কাটলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।
কোলাইটিস, আর্থ্রাইটিস বা প্যানক্রিয়াটাইটিসের মতো পুরোনো রোগও শরীরের অতিরিক্ত প্রদাহের সঙ্গে সম্পর্কিত।চিকিৎসকদের পরামর্শ, এসব লক্ষণ দেখা দিলে কেবল ওষুধ বা প্রসাধনী ব্যবহার না করে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে শরীরের এই নীরব সংকেতগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











