টাঙ্গাইল সদর সংবাদ দাতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে ভোটের দিন এবং এর আগে-পরে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ থাকায় টাঙ্গাইলের বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। যদিও প্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে ছিল, বাস্তবে সীমিত পরিবহন চলাচলের কারণে সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব ভোটের পরদিনও বাজারে দেখা গেছে। সবজি, মুরগি ও পেঁয়াজসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে।
খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা জানান, পরিবহন সংকটের কারণে দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত খরচ বেড়েছে, যা সরাসরি কাঁচাপণ্যের দামে যোগ হয়েছে। পার্কবাজার, সিটি বাজার, ছয়আনি বাজার, আমিন বাজার ও সন্তোষ বাজার ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজি আগের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতিও কম, ফলে বেচাবিক্রিও তুলনামূলক কম হয়েছে।
বিক্রেতাদের ভাষ্য, সরবরাহ কম থাকলেও ক্রেতা কম থাকায় দাম আরও বেশি বাড়েনি। অনেক দোকানি অতিরিক্ত খরচের কারণে বাজারে পণ্য আনেননি, কিছু দোকান বন্ধও ছিল। কয়েকজন বিক্রেতা জানান, নির্বাচনের আগের দিন থেকেই সবজি আমদানি কমে যায়, ফলে কিছু পণ্য বাজারে পাওয়া যায়নি।
সবজি ও মুরগির দামে বাড়তি চাপ
বর্তমানে শসা প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং টমেটো ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা বেশি। কাঁচামরিচের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়। শিম, মুলা ও পেঁপে মানভেদে ৪০ থেকে ৬০ টাকায় এবং বেগুন ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ও মটরশুটির দাম ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় উঠেছে।
পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে এখন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে তেল, চিনি ও ডিমের দামে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হলে সরবরাহ বাড়বে এবং দামও স্থিতিশীল হবে।











