খবর বাংলা ডেস্ক :
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পারমাণবিক জ্বালানি সংযোজনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি খাতে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের ফিজিক্যাল স্টার্টআপ বা ফুয়েল লোডিং অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক এলেক্সি লিখাচভ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বাংলাদেশ এখন শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারকারী দেশের কাতারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটি বহু বছরের পরিকল্পনা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ফল।
ফকির মাহবুব আনাম বলেন, শিল্পায়ন ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। পারমাণবিক শক্তি সেই প্রয়োজন পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করবে।
তিনি জানান, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসির পূর্বে ধারণ করা বক্তব্য প্রচার করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও দেশীয় সক্ষমতার বাস্তব প্রতিফলন। দীর্ঘ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জন করেছে।
তিনি আরও বলেন, রাশিয়ার প্রযুক্তি ও অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কারিগরি সহায়তায় প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয়েছে।
রোসাটমের মহাপরিচালক এলেক্সি লিখাচভ বলেন, রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সহযোগিতার উজ্জ্বল উদাহরণ। বৈশ্বিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রকল্পের কাজ সফলভাবে এগিয়ে চলেছে।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











