খবর বাংলা ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের মুখেও পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বয়ে ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছে দেশটি। বিশেষ করে ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোনের স্যাচুরেশন হামলা মোকাবিলায় কঠিন পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বহুল আলোচিত এই ড্রোনের নতুন একটি নকশা সামনে এনেছে ইরান। নতুন নকশার কারণে ড্রোনটি শনাক্ত করা আগের তুলনায় আরও কঠিন হবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আগে ড্রোনটির ইঞ্জিন পেছনের দিকে থাকলেও নতুন সংস্করণে প্রপেলার বা পাখাটি সামনে বসানো হয়েছে। এর ফলে ড্রোনটির অ্যারোডাইনামিক কার্যক্ষমতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এছাড়া আগের গ্যাসোলিন পিস্টন ইঞ্জিনের পরিবর্তে নতুন এই ড্রোনে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন বা ইলেকট্রিক প্রোপালশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এতে ড্রোনটির উড্ডয়নকালে শব্দ অনেক কম হবে। পাশাপাশি এর তাপীয় ও রাডার সিগনেচারও কমে যেতে পারে, ফলে রাডার বা তাপ শনাক্তকারী যন্ত্রে এটি সহজে ধরা পড়বে না।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে তেহরান ও যুক্তরাষ্ট্র–এর মধ্যে সংলাপ চলে। কোনো সমঝোতা ছাড়াই সেই আলোচনা শেষ হওয়ার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েলও ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক সামরিক অভিযান চালায়।
এর পর থেকে দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে।











