খবর বাংলা ডেস্ক :
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ফিলিং স্টেশন থেকে একেকটি যানবাহনে কতটুকু জ্বালানি তেল নেওয়া যাবে, তার সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
বিপিসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে দিনে ১০ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল (এসইউভি) বা জিপ এবং মাইক্রোবাসের ক্ষেত্রে দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নেওয়া যাবে। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০০ থেকে ২২০ লিটার পর্যন্ত।
বিপিসি জানিয়েছে, জ্বালানি তেল কেনার সময় অবশ্যই রসিদ নিতে হবে এবং পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।
তবে চালকদের একাংশ বলছেন, নির্ধারিত এই পরিমাণ তেল দিয়ে সাধারণ গ্রাহকেরা চলতে পারলেও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও গাড়ির ক্ষেত্রে তা যথেষ্ট হবে না।
ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানো এক তরুণ নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দুই লিটার তেল দিয়ে তার মোটরসাইকেল প্রায় ৭০ কিলোমিটার চলতে পারে। কিন্তু তিনি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালান। এতে যে আয় হয় তা দিয়েই তার সংসার চলে। তাই তেলের সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজধানীর পরীবাগে অবস্থিত মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করতে চান যে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কোনো কারণ নেই।
তিনি বলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে চাই, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং এ নিয়ে আতঙ্কের কোনো প্রয়োজন নেই।”
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











