খবর বাংলা ডেস্ক :
রমজান মাসে ইফতার, সাহরি ও তারাবির নামাজের কারণে মানুষের দৈনন্দিন জীবনধারায় পরিবর্তন আসে। ঘুম এবং খাবারের সময় বদলে যাওয়ায় অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সুস্থ থাকতে এই সময়ে সঠিক খাবার নির্বাচন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।
রাতের খাবারের পর হালকা ক্ষুধা অনুভূত হলে ভারী বা ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া উচিত নয়। এ ধরনের খাবার ওজন বাড়াতে পারে এবং ঘুম ব্যাহত করতে পারে। ঘুমের আগে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া ভালো, যা শরীরকে স্বস্তি দেবে এবং ঘুমও ভালো হবে।
ঘুম ও স্বাস্থ্য সচেতন খাবারের পরামর্শ ডিম: ঘুমানোর এক থেকে দুই ঘণ্টা আগে একটি সিদ্ধ ডিম খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে। ডিমের উচ্চমানের প্রোটিন পেশি পুনর্গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে। রাতে ডিম খেলে হজমজনিত সমস্যা কমে যায় এবং অপ্রয়োজনীয় খাবারের প্রতি প্রবণতা কমে।
মরিচ: ডিনারে অল্প ঝাল রাখা যেতে পারে। কাঁচা মরিচ বা সামান্য মরিচের গুঁড়া খাবারের সঙ্গে খেলে শরীরের তাপ উৎপাদন কিছুটা বাড়ে এবং বিপাকক্রিয়া সক্রিয় থাকে। চাইলে হালকা গরম পানিতে সামান্য মরিচ মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।
অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: ওজন নিয়ন্ত্রণে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার উপকারী। এক গ্লাস পানিতে এক টেবিল চামচ মিশিয়ে ঘুমানোর আধা ঘণ্টা আগে পান করলে হজম ও বিপাকক্রিয়া উন্নত হতে পারে। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে, তারা সাবধানতা অবলম্বন করুন।
ক্যামোমাইল চা: ভেষজ পানীয় যেমন ক্যামোমাইল চা শরীর ও মনকে শান্ত করে। ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে এক কাপ ক্যামোমাইল চা পেলে আরামদায়ক ঘুম হতে পারে।
সচেতনভাবে খাবার খেলে রমজানে ভালো ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। ভারী খাবারের বদলে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার হওয়াই আদর্শ।
তথ্য সূত্র : কালের কণ্ঠ











